নিজস্ব প্রতিবেদন :
মাত্র চার বছর বয়সে ছোট্ট রিচার হাতে ব্যাট তুলে দিয়েছিলেন বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ ওরফে গবা।
সেই সময় শিলিগুড়ির বাঘাযতীন অ্যাথলেটিক ক্লাবের কোচ ছিলেন গোপাল সাহা। তাঁর হাত ধরেই শুরু হয়েছিল রিচার ক্রিকেটজীবনের প্রথম অধ্যায়।

রবিবার ভারতের ঐতিহাসিক জয় দেখে গোপালবাবু আবেগে আপ্লুত। নিজের পাড়াতেই টিভির পর্দায় শিষ্যার পারফরম্যান্স দেখার সময় আনন্দে ভরে উঠেছিল তাঁর মন।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে গোপাল সাহা বলেন, “তখন আমার শিবিরে কোনো মহিলা ক্রিকেটার ছিল না। একা রিচা ছেলেদের সঙ্গে অনুশীলন করত। ওর জেদ, মনোযোগ, আর ব্যাটিংয়ের প্রতি ভালোবাসাই ওকে আজ এই জায়গায় এনেছে।”
আজও যখন রিচা শিলিগুড়িতে আসে, তখন পুরনো ক্লাব মাঠে আসে দেখা করতে। ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে সময় কাটায়, এমনকি অনেক সময় তাদের সঙ্গে নেমেও পড়ে অনুশীলনে — যেন সেই ছোট্ট রিচা আবার ফিরে আসে শৈশবের সেই সবুজ মাঠে।

