নিজস্ব প্রতিবেদন :
দোল আর হোলির রঙে যখন শহর মেতে উঠতে প্রস্তুত, ঠিক তখনই রাস্তায় দেখা গেল এক অন্য ছবি। লালবাতি-সাইরেন নয়, বরং মোটরসাইকেলে চেপে নিজেই শহরের ট্রাফিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার! কেন এই বিশেষ টহল? কোথায় কোথায় চলল নজরদারি? আর হোলির দিনে কোন বিষয়ে জারি হল কড়া হুঁশিয়ারি? পুরো খবর জানতে শেষ পর্যন্ত সঙ্গে থাকুন…

দোল ও হোলি উৎসবকে ঘিরে যাতে শহরে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে Siliguri Police Commissionerate-এর ট্রাফিক বিভাগ।
বুধবার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ নিজেই মোটরসাইকেলে চেপে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পানিট্যাংকি সেবক মোড় থেকে শুরু করে জলপাই মোড়, বিভিন্ন চেকপোস্ট, আশিঘর, ফুলেশ্বরী বাজার, এনটিএস মোড়, ঝংকার মোড়, এয়ারভিউ, জংশন ও দার্জিলিং মোড়—এমনকি ইস্টার্ন বাইপাস রোডের ব্যস্ত অংশগুলিতেও ট্রাফিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।
এই বিশেষ পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এসিপি ট্রাফিক (হেডকোয়ার্টার) সুবীর দত্ত এবং বিভিন্ন ট্রাফিক গার্ডের ওসি-রা। উৎসবের দিনে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন আধিকারিকরা।বিশেষ করে ‘ড্রিংক অ্যান্ড ড্রাইভ’-এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে যাতে কেউ দুর্ঘটনা বা অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম না দেন, সে বিষয়ে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে ট্রাফিক বিভাগের তরফে।শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নাকা চেকিং জোরদার করা হয়েছে।
ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্ট, মোবাইল পেট্রোলিং ও বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে উৎসবের দিনগুলিতে।পুলিশ প্রশাসনের তরফে শহরবাসীর উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় —উৎসব আনন্দে কাটান, তবে আইন মেনে, সচেতন থেকে এবং নিরাপদে হোলি উদযাপন করুন।

