নিজস্ব প্রতিবেদন :
আধ্যাত্মিক জীবন ও লৌকিক জীবনের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে কোনো বিভাজন নেই—সংসারে থেকেও সাধনা সম্ভব। দৈনন্দিন জীবনযাপনের মাঝেই আধ্যাত্মিক চর্চা করা যায়। এমনকি যে কোনো কর্ম, যদি তা ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে সমর্পিত হয়, তবে সেই কর্মও হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক। খবরের ঘন্টার সঙ্গে এক মুখোমুখি সাক্ষাৎকারে শিলিগুড়িতে এই মতই তুলে ধরলেন পন্ডিচেরী নিবাসী শ্রী অরবিন্দ অনুরাগী ও চিন্তাবিদ অশোক রায়।

সিকিমের পেলিং ও রাবাংলা ভ্রমণ সেরে শিলিগুড়িতে ফিরে এসে তিনি এই বক্তব্য রাখেন। অশোকবাবুর মতে, আধ্যাত্মিকতা মানে সংসার ত্যাগ নয়, বরং সংসারের মধ্যেই সচেতন ও উদ্দেশ্যমূলক জীবনযাপন।উল্লেখযোগ্যভাবে, তাঁর স্ত্রী, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী তপতী রায় সম্প্রতি ক্যান্সারকে পরাজিত করে সুস্থ জীবনে ফিরেছেন।
তপতী রায়ের জন্মস্থান শিলিগুড়ি। এক সময় কালিম্পংয়ে পড়াশোনা করার সূত্রে পাহাড়ের সঙ্গে তাঁদের গভীর যোগাযোগ গড়ে উঠেছে। সেই টানেই মাঝেমধ্যেই পন্ডিচেরীর শ্রী অরবিন্দ আশ্রম থেকে শিলিগুড়িতে আসেন তাঁরা।
এবারের সফরে তাঁরা সিকিমের পেলিং ও রাবাংলা ঘুরে আসেন।
সিকিমের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলেও রাজ্যের রাস্তাঘাটের বর্তমান বেহাল পরিস্থিতি তাঁদের মন খারাপ করেছে বলে জানান অশোকবাবু। এ প্রসঙ্গে তিনি খবরের ঘন্টাকে নিজের স্পষ্ট অভিমতও তুলে ধরেন।আধ্যাত্মিক দর্শন, ব্যক্তিগত জীবনসংগ্রাম এবং সামাজিক ভাবনা—সব মিলিয়ে অশোক রায়ের বক্তব্যে উঠে এসেছে জীবনের গভীর ও বাস্তব উপলব্ধি।
অপরদিকে কেও যদি শ্রী অরবিন্দ এবং শ্রী মা এর দর্শন নিয়ে কিছু জানতে চান তবে তাঁরা শিলিগুড়ি মিলনপল্লীর ডিভাইন লাইফ স্টাডি সার্কেলে যোগাযোগ করতে পারেন বলে অশোকবাবু জানিয়েছেন।

