নিজস্ব প্রতিবেদক :
শৈশব ও কৈশোর থেকেই খেলাধুলার প্রতি ছিল তাঁর প্রবল টান। বিশেষ করে খো-খো খেলাই ছিল তাঁর নেশা। এমনও অনেক দিন কেটেছে যখন মাঠে খেলায় মগ্ন থাকার জন্য নিজের দুই ছোট্ট মেয়েকে খেলার মাঠের ধারে সামান্য মুড়ি কিনে বসিয়ে রেখেছেন তিনি, আর নিজে ডুবে গেছেন খো-খো খেলায়। সেই সময়ের সেই দুই শিশু কন্যাই আজ শিলিগুড়ির পরিচিত দুই বাচিক শিল্পী।

বড় মেয়ে পৃথা সেন বর্তমানে রবীন্দ্রনগর গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষিকা, আর ছোট মেয়ে জয়িতা সেন শিলিগুড়ির নেতাজি গার্লস হাইস্কুলে শিক্ষকতা করছেন। খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা আর জীবনের সংগ্রামের সেই পথ পেরিয়ে আজ তাঁদের মা মিনতি সেন দার্জিলিং জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ায় তাঁর বাড়িতে গিয়ে মিনতি সেনকে সংবর্ধনা জানায় খবরের ঘন্টা। নারী দিবসের প্রাক্কালে তিনি বলেন, দার্জিলিং জেলা, বিশেষ করে শিলিগুড়ির মেয়েরা আজ খেলাধুলার জগতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
রিচা ঘোষ থেকে শুরু করে মান্তু ঘোষ—এমন বহু প্রতিভাবান মহিলা ক্রীড়াবিদ আজ শিলিগুড়ির নাম উজ্জ্বল করছে।
খবরের ঘন্টার সঙ্গে আলাপচারিতার সময় মিনতি সেন স্মৃতিচারণ করলেন পুরনো দিনের খেলাধুলার নানা গল্প ও অভিজ্ঞতা। তাঁর কথায় ফুটে উঠল এক সময়ের মাঠকেন্দ্রিক ক্রীড়া সংস্কৃতির ছবি, যা আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে পারে।
দেখতে থাকুন খবরের ঘন্টা।

