
সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ এই দুই রাজ্যের মধ্যে গাড়ি চলাচল নিয়ে একটা সমস্যা অনেকদিন ধরে চলছিল । পশ্চিমবঙ্গের গাড়ি সিকিমে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। ফলে পর্যটকদের সমস্যা হচ্ছিলো৷ কেননা পর্যটকরা সিকিম সীমান্তে নেমে আবার সিকিম রাজ্যের গাড়ি নিয়ে হোটেল পৌঁছাতে হত। শেষমেষ দুই রাজ্য চুক্তি সিদ্ধান্ত নিলো যে এবার থেকে আর কোনও রাজ্য গাড়ি আটক করবে না। পর্যটকরা গাড়ি নিয়ে হোটেল পর্যন্ত যেতে পারবেন। এরই সঙ্গে বুধবার থেকে বিভিন্ন রুটে গাড়ির সংখ্যাও বাড়ানো হলো। শিলিগুড়ি-গ্যাংটক রুটে সরকারি বাস ২৫টির পরিবর্তে ৩০টি করা হলো। অন্যদিকে গ্যাংটক থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ৪৫টি বাসের পরিবর্তে ৫০টি করা হলো। শিলিগুড়ি-নামচি রুটেও ৩টে বাস ছিলো, তা এবার থেকে চারটে করা হলো। গ্যাংটক থেকেও ছিলো ৩টে বাস, তা বাড়িয়ে এখন ৫টা করা হলো। এছাড়া শিলিগুড়ি- নামচি একটি নতুন রুট চালু হলো। ওই রুটে শিলিগুড়ি থেকে যাবে ২টো বাস ও নামচি থেকে আসবে ৩টে বাস। কোচবিহারের সিতাই থেকে গ্যাংটক পর্যন্ত বাস চালু করার দাবি ছিলো বহুদিনের । সেই বাসও চালু হয়েছে। এই রুটে পশ্চিমবঙ্গ চালাবে ২টো বাস ও সিকিম চালাবে ১টি বাস। বাড়ানো হয়েছে ট্যাক্সির সংখ্যাও । আগে ছিলো আড়াই হাজার ট্যাক্সি, এখন তা হলো ৩ হাজার। পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এদিন বলেন, “দুই রাজ্য গাড়ি প্রবেশ করার জন্যনআর কোনও কর নেবেনা।এই চুক্তির জেরে পর্যটকের সংখ্যাও বাড়বে।” সিকিমের পরিবহন মন্ত্রী সঞ্জিত খারেল বলেন, “বহুদিনের সমস্যা মিটে যাওয়ায় সুবিধা হলো। এই উদ্যোগ নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ।”
