নিজস্ব প্রতিবেদক :
১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। এই দিনটিকেই ভারতবর্ষে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরাধীন ভারতের বুকে যুব সমাজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সাহস ও জাগরণের আগুন জ্বালিয়ে দিতে চেয়েছিলেন স্বামীজি। তাঁর লক্ষ্য ছিল—যুবক-যুবতীরা যেন সব ভয়, জড়তা ও অবসাদ ঝেড়ে ফেলে আত্মশক্তিতে জেগে ওঠে।

স্বামী বিবেকানন্দের সেই অমর আহ্বান—
“উত্তিষ্ঠত, জাগ্রত, প্রাপ্য বরান নিবোধত”
আজও যুব সমাজের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনি চেয়েছিলেন, যুবরা যেন কেবল ডিগ্রি অর্জনকারী নয়, বরং সত্যিকারের মানুষ হয়ে ওঠে—চরিত্রবান, আত্মবিশ্বাসী ও সমাজের দায়িত্ব নিতে সক্ষম।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে,আজকের যুব সমাজ কি সত্যিই স্বামীজির সেই ডাক শুনতে পাচ্ছে?নাকি কেবল আনুষ্ঠানিকতা আর আড়ম্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে জাতীয় যুব দিবস পালন?বছরের পর বছর ঘটা করে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন হলেও, যদি স্বামীজির আদর্শে যুব সমাজ জেগে না ওঠে, তবে সেই উদযাপনের প্রকৃত সার্থকতা কোথায়—এই প্রশ্নই সামনে আনছেন বিশিষ্ট চিন্তাবিদরা।
স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনের প্রাক্কালে জাতীয় যুব দিবসের তাৎপর্য ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার গভীর অর্থ ব্যাখ্যা করলেন ভারতীয় দর্শনশাস্ত্রের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ, অধ্যাপক ও গুণী মানুষ ডঃ রঘুনাথ ঘোষ।

