শংকর রায়,কোচবিহার: কোচবিহারে বাবা মদনমোহন মন্দির চত্বর ঘিরে চলছে ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা। প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায় ভিড় উপচে পড়ছে দর্শনার্থীদের। আর সেই ভিড়ের মধ্যেই এ বছর নতুন চমক — লখনৌ থেকে আসা কাঠের ঢোলের দোকান।

উত্তরপ্রদেশের লখনৌ শহর থেকে এই প্রথম কোচবিহার রাসমেলায় পা রেখেছেন একদল কারিগর। পেশায় তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঢোল তৈরির সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের কথায়, নানা জায়গায় মেলা ও উৎসবে কাঠের ঢোল বিক্রি করলেও, কোচবিহারের রাসমেলার সুনাম শুনে এ বছর প্রথমবার এখানে আসা।
১০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দামের বিভিন্ন আকারের কাঠের ঢোল সাজানো রয়েছে তাঁদের স্টলে। জায়গা না পেয়ে তারা রাস্তার ধারে, জেলখানার উল্টোদিকে দোকান বসিয়েছেন। সেখান থেকেই ভালো বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন। পরিবারের সদস্যরাও ঘুরে ঘুরে মেলায় ঢোল বিক্রি করছেন।
সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়—গ্রাহক চাইলে চোখের সামনে বসেই তৈরি করে দিচ্ছেন ঢোল! কাঠের গায়ে ছন্দের হাত রাখতেই যেন মিশে যাচ্ছে রাসমেলার আবহে ঐতিহ্যের স্পন্দন।
নিজস্ব প্রতিবেদন: কোচবিহারে
বাবা মদনমোহন মন্দির চত্বর ঘিরে চলছে ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা। প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায় ভিড় উপচে পড়ছে দর্শনার্থীদের। আর সেই ভিড়ের মধ্যেই এ বছর নতুন চমক — লখনৌ থেকে আসা কাঠের ঢোলের দোকান।
উত্তরপ্রদেশের লখনৌ শহর থেকে এই প্রথম কোচবিহার রাসমেলায় পা রেখেছেন একদল কারিগর। পেশায় তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঢোল তৈরির সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের কথায়, নানা জায়গায় মেলা ও উৎসবে কাঠের ঢোল বিক্রি করলেও, কোচবিহারের রাসমেলার সুনাম শুনে এ বছর প্রথমবার এখানে আসা।
১০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দামের বিভিন্ন আকারের কাঠের ঢোল সাজানো রয়েছে তাঁদের স্টলে। জায়গা না পেয়ে তারা রাস্তার ধারে, জেলখানার উল্টোদিকে দোকান বসিয়েছেন। সেখান থেকেই ভালো বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন। পরিবারের সদস্যরাও ঘুরে ঘুরে মেলায় ঢোল বিক্রি করছেন।
সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়—গ্রাহক চাইলে চোখের সামনে বসেই তৈরি করে দিচ্ছেন ঢোল! কাঠের গায়ে ছন্দের হাত রাখতেই যেন মিশে যাচ্ছে রাসমেলার আবহে ঐতিহ্যের স্পন্দন।

