নিজস্ব প্রতিবেদক :
বর্তমান সময়ে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রসার বিশ্বজুড়ে এক নতুন পরিবর্তনের সূচনা করেছে। এই প্রযুক্তিগত বিপ্লবের প্রভাব থেকে বাদ যায়নি সাংবাদিকতার ক্ষেত্রও। একসময় সংবাদ সংগ্রহ ও পাঠানোর পদ্ধতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তখন সাংবাদিকরা টেলিগ্রাম, ট্রাঙ্ক কল বুক করে ফোনে, ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়ে অথবা টেলেক্সের মাধ্যমে সংবাদ পাঠাতেন।

পরে ধীরে ধীরে ফ্যাক্স মেশিন এবং এসটিডি পরিষেবা চালু হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় কিছুটা গতি আসে। সেই সময় সংবাদপত্রও প্রধানত লেটার প্রেস প্রযুক্তিতে মুদ্রিত হতো।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এই পুরো ব্যবস্থাতেই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
এখন সংবাদমাধ্যমের জগতে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বর্তমান যুগকে অনেকেই ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ বলে অভিহিত করছেন, যেখানে খবর পরিবেশন এবং প্রকাশের ধরন আগের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর।
এই পরিবর্তনের ফলে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থানের চিত্র বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় অনেক সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী তাঁদের পেশাগত জায়গা হারিয়েছেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও আগের তুলনায় কিছুটা সীমিত হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে।
এই প্রসঙ্গে মত প্রকাশ করেছেন চিত্রদীপ চক্রবর্তী, যিনি এই সময় পত্রিকার একজন মুখ্য সাংবাদিক ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। তাঁর মতে, আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাবে সাংবাদিকতার ধরন যেমন বদলাচ্ছে, তেমনই সংবাদ সংগ্রহের পদ্ধতি ও কৌশলও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ফলে এই নতুন বাস্তবতায় সাংবাদিকদের প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের দক্ষতা ক্রমাগত মানিয়ে নেওয়াই আগামী দিনের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

