নিজস্ব প্রতিবেদন : এ বছর মহা শিবরাত্রি তিথি হবে রয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মানে রবিবার এবং চতুর্দশী তিথি অনুযায়ী এই দিনের পূজা-অনুষ্ঠান চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ।চতুর্দশী তিথি শুরু: ১৫ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যা ~৫টা:০৪ মিনিটে ।চতুর্দশী তিথি শেষ: ১৬ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ~৫টা :৩৪ মিনিট পর্যন্ত।

নিশীথ কালে বা মধ্যরাতে শিবরাত্রির জন্য শুভ মুহূর্ত: ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ০৯ মিনিট থেকে মধ্য রাত ১টা:০১ মিনিট পর্যন্ত।এছাড়া শিবরাত্রির রাতটা সাধারণত ৪ প্রহর ধরে পূজা চলে—প্রথম প্রহর সন্ধ্যা থেকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রহর মধ্যরাতে, আর চতুর্থ প্রহর ভোর পর্যন্ত।মহা শিবরাত্রি হলো হিন্দু ধর্মের এক অত্যন্ত পবিত্র উৎসব, যা শ্রী মহাদেব বা শিব এলোকেশ্বরকে উৎসর্গ করে। এই রাতকে বলা হয় “শিবের মহান রাত” বা The Great Night of Shiva
শিব–পার্বতী বিবাহ: অনেক ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী এই দিনেই শিব ও পার্বতীর বিয়ে হয় এবং তাই প্রেম ও নিকট সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেও এটা উদযাপিত হয়।জ্যোতির্লিঙ্গ আবির্ভাব: পুরাণ মতে এই রাতে শিবের জ্যোতির্লিঙ্গ আবির্ভাব ঘটে, যা আদিদেব শিব এর অনন্ত ও চিরস্থায়ী রূপকে নির্দেশ করে।
তাণ্ডব ও সৃজন: শিবের তাণ্ডব নৃত্যের কারণে এই রাতকে শক্তি, সৃষ্টি ও ধ্বংসের বিনিময়ের রাত হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
অনেকে এইসময় সারাদিন ধরে উপবাস করেন এবং রাত জাগরণ চালিয়ে যান।শিবলিঙ্গে জল, দুধ, বেলপাতা, ফুল, ধুপ–দীপ ইত্যাদি দিয়ে বিশেষ পূজা ও অভিষেক করা হয়।মন্ত্র জপ, ধর্মীয় পাঠ ও ধ্যানের মাধ্যমে আত্মিক শুদ্ধি ও মনঃশান্তি লাভের প্রচেষ্টা করা হয়।মহা শিবরাত্রি বোঝায়
অজ্ঞানতা ও অন্ধকারের উপর আলোকের জয়,
আত্মশুদ্ধি ও অন্তর্দৃষ্টি, জীবনের অস্থিরতা থেকে মুক্তি প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় বলেও অনেকে বিশ্বাস করেন।

