মমো বিক্রি করে চেন্নাইয়ে সীমা, এশিয়ায় শিলিগুড়ির মুখ উজ্জ্বল করলেন

নিজস্ব প্রতিবেদন, ১৪ ই নভেম্বর:
শিলিগুড়ির মেয়েরা একের পর এক সাফল্যে নতুন ইতিহাস গড়ছেন খেলাধুলার জগতে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রিচা ঘোষের পর এবার আরেক ক্রীড়াবিদ সীমা চক্রবর্তী তুলে ধরলেন শিলিগুড়ির নাম এশিয়ার মানচিত্রে।

আর্থিক দিক থেকে অনগ্রসর পরিবার থেকে উঠে আসা সীমা সম্প্রতি চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত এক দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এই প্রতিযোগিতায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ—চিন, জাপানসহ একাধিক দেশের ক্রীড়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে দুটি বিভাগের দৌড়ে সীমা যথাক্রমে ষষ্ঠ ও অষ্টম স্থান অর্জন করেন।

অর্থের অভাব ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় বাধা। কিন্তু সেই বাধা জয় করতে সীমা বিক্রি করেছেন মমো, সংগ্রহ করেছেন মানুষের সাহায্য, এমনকি নিয়েছেন ঋণও—শুধু নিজের স্বপ্নকে সত্যি করার তাগিদে।

তাঁর এই যাত্রায় পাশে দাঁড়িয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজসেবী সৌমেন দে, সজল কুমার গুহ, শিক্ষক চিত্তরঞ্জন সরকার, ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মী প্রদীপ বড়ুয়া, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অসমঞ্জ সরকার, এবং এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহিলা।

সীমার কথায়, “শিলিগুড়ির নাম আরও উঁচুতে তুলতে চাই। অর্থের অভাব কখনও থামাতে পারবে না আমার দৌড়কে।”

খেলাধুলার প্রতিটি অঙ্গনে শিলিগুড়ির মেয়েদের এই উত্থান আজ গর্বিত করছে সমগ্র উত্তরবঙ্গকে।