ভাঙন রুখতে প্রেমই সবচেয়ে বড় শক্তি: বড় দিন ও নতুন বছরের বার্তায় জনসন ক্রিস্টোফার

নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রভু যিশুখ্রিষ্টের বাণী:
“তোমরা একে অপরকে ভালোবাসো, যেমন আমি তোমাদের ভালোবেসেছি।” “যেখানে ভালোবাসা আছে, সেখানেই আলো আছে।” “ভয় নয়, ভালোবাসাই মানুষের হৃদয় জয় করে।”আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় আজ পরিবার ও সমাজে মানুষের মধ্যে দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।

মোবাইল ফোনে ডুবে থাকার কারণে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও আন্তরিক কথোপকথনের সময় নেই বললেই চলে। এর ফলেই বিভিন্ন সম্পর্কের মধ্যে ভাঙন দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সম্পর্কের বন্ধনকে অটুট রাখতে প্রকৃত ভালোবাসার বিকল্প আর কিছু নেই—এমনই মত প্রকাশ করলেন শিলিগুড়ি প্রধান নগরের জে-সন ফিজিওথেরাপি সেন্টারের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট জনসন ক্রিস্টোফার।

আসন্ন বড় দিন ও নতুন ইংরেজি বছর ২০২৬-কে সামনে রেখে ‘খবরের ঘন্টা’-র কাছে নিজের ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রেম ও ভালোবাসাই সমাজকে রক্ষা করার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। প্রেমের শক্তিতে পরিবার, সমাজ ও মানবিক সম্পর্কের ভাঙন রোধ করা সম্ভব।

তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সমাজের নানা প্রান্তে ক্রমশ অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া বহু তরুণ-তরুণী মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নেশার জালে জড়িয়ে পড়ছে, যা আগামী প্রজন্মের জন্য মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। এই যুবসমাজকে অবহেলা না করে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে তাদের বোঝা এবং সুস্থ, স্বাভাবিক জীবনের পথে ফিরিয়ে আনা আজ অত্যন্ত জরুরি।

জনসন ক্রিস্টোফারের কথায়, যদি এই তরুণ প্রজন্ম নেশার কবলে পড়ে ধ্বংসের পথে এগিয়ে যায়, তবে ভবিষ্যতের সমাজ আরও অন্ধকারময় হয়ে উঠবে। তাই শাসন নয়, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মাধ্যমেই তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।

সবশেষে তিনি বড় দিন ও আগত নতুন ইংরেজি বছর ২০২৬ উপলক্ষে সকলের প্রতি আগাম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়ে মানবিক, সুস্থ ও আলোকিত সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।