নিজস্ব প্রতিবেদন :
মায়োপিয়া থেকে শুরু করে নানান জটিল চক্ষুরোগের চিকিৎসায় উত্তর-পূর্ব ভারত ছাড়িয়ে প্রতিবেশী দেশ Nepal, Bhutan ও Bangladesh-এর একাংশেও আজ নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের নাম হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছে The Himalayan Eye Institute। প্রতিষ্ঠানের দশবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, শিলিগুড়ির আশ্রমপাড়ার কিরণ ভবনে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের।

দিনভর নানা কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম ছিল রক্তদান শিবির, যা পরিচালিত হয় Siliguri Terai Lions Blood Bank-এর সহযোগিতায়। এই মানবিক উদ্যোগে অংশ নেন বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুপ্রতীক ব্যানার্জী, প্রতিষ্ঠানের চিফ এক্সিকিউটিভ কমলেশ গুহ, অন্যান্য চিকিৎসক, কর্মী এবং তাঁদের পরিবারবর্গ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। তিনি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানান। পরে সাংবাদিক বৈঠকে ডাঃ সুপ্রতীক ব্যানার্জী, ডাঃ স্বরূপ কুমার রায়, ডাঃ শ্যামল সাহা এবং কমলেশ গুহ গত এক দশকের সাফল্যগাথা তুলে ধরেন।
তাঁরা জানান, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা ও নিরলস পরিষেবার মাধ্যমে কীভাবে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।শিলিগুড়ির বর্ধমান রোডের ঝংকার মোড়ে অবস্থিত এই চক্ষু প্রতিষ্ঠান শুধু চিকিৎসাতেই নয়, সামাজিক দায়িত্ব পালনেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে—এমন মত শোনা যায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের বক্তব্যে।
বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে আসে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ স্নেহা বাত্রার মায়োপিয়া সংক্রান্ত গবেষণা। প্রতিষ্ঠানের মায়োপিয়া ক্লিনিকের মাধ্যমে তাঁর গবেষণা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক চক্ষু চিকিৎসা মহলে সাড়া ফেলেছে এবং শীঘ্রই জাতীয় স্তরেও স্বীকৃতি পেতে চলেছে বলে জানা যায়।
দশ বছরের এই সাফল্যমণ্ডিত যাত্রাপথে চিকিৎসা ও মানবিকতার সমন্বয়ে এক উজ্জ্বল নজির স্থাপন করেছে দ্য হিমালয়ান আই ইন্সটিটিউট। আগামী দিনেও তাদের এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

