নিজস্ব প্রতিবেদন :
শিলিগুড়ির বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ মহকুমা গ্রন্থাগারের সভাগৃহে ২৫ জানুয়ারি আয়োজিত হলো ছবিরানি হালদার ট্যালেন্ট টেস্ট কোচিং সেন্টার–এর উদ্যোগে ‘মেধা অন্বেষণ ২০২৫’–এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। শিক্ষামুখী এই আয়োজন ঘিরে দিনটি হয়ে ওঠে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং বিশিষ্ট অতিথিদের মিলনমেলা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন নিবন্ধক ডঃ তাপস চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি লিটারারি সোসাইটির সভাপতি সুব্রত দত্ত, শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল দত্ত, শ্যামধনজোত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন দাস এবং অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ডঃ তপতী হালদার প্রমুখ। তাঁদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তো
উল্লেখ্য, এই মেধা অনুসন্ধানমূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর, শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলে। অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আয়োজিত ওই পরীক্ষায় ২৬টি বিদ্যালয় থেকে মোট ১২৯ জন নাম নথিভুক্ত করলেও, শেষ পর্যন্ত ১১৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এই মহৎ উদ্যোগের প্রধান সংগঠক ছিলেন বাগডোগরা চিত্তরঞ্জন হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ডঃ তপতী হালদার। তিনি নিজের পেনশনের অর্থ ব্যয় করে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এই প্রয়াস গ্রহণ করেছেন—যা উপস্থিত সকলের কাছেই প্রশংসিত হয়।
পরীক্ষায় ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে মোট ৩২ জন ছাত্রছাত্রী বিশেষ সম্মান ও শংসাপত্র লাভ করে। এদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে দিয়া বসাক, দ্বিতীয় স্থানে বৈশালি শিকদার এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে অনুজ সাহা।
পুরো অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন নন্দিতা ভৌমিক। এদিন সংবর্ধনা জানানো হয় বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সোমা চক্রবর্তী, খবরের ঘন্টা–র সম্পাদক বাপি ঘোষ এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যম প্রতিনিধিদের।
শিক্ষা ও মেধার বিকাশে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে—এই আশা নিয়েই সমাপ্ত হয় ‘মেধা অন্বেষণ ২০২৫’–এর এই স্মরণীয় আয়োজন।অনুষৃঠানে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীকে ৫০০০,দুই হাজার এবং এক হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়।


