নিজস্ব প্রতিবেদন :
ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল ক্রিম বা বিউটি পার্লারের ট্রিটমেন্ট—এগুলো এখন বহু মহিলার নিয়মিত অভ্যাস। কিন্তু সেইসব প্রসাধনী বা প্রসাধন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কিছু রাসায়নিক উপাদান দীর্ঘমেয়াদে কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে—এমনই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরলেন বেঙ্গালুরুর বিশিষ্ট নেফ্রোলজিস্ট তথা কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ মাধব দেশাই।

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি খবরের ঘন্টা-র মুখোমুখি হয়ে তিনি পরিবেশ দূষণ ও দৈনন্দিন অভ্যাস কীভাবে কিডনির উপর প্রভাব ফেলছে, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
ডাঃ দেশাই জানান, আমরা সাধারণত মনে করি বায়ুদূষণের প্রভাব কেবল ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ।
কিন্তু আধুনিক গবেষণা বলছে, বাতাসে ভাসমান ক্ষতিকর কণিকা রক্তপ্রবাহে মিশে হার্ট ও কিডনির উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শুধু বায়ুদূষণই নয়—জলদূষণ, খাদ্যে ভেজাল এবং রাসায়নিক ব্যবহার করা শাকসবজি—সব মিলিয়ে কিডনির ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
শিলিগুড়িতে বেঙ্গালুরুভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আল্ট্রা লাইফ ইন এমারজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড–এর উদ্যোগে আয়োজিত এক মেগা স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরে যোগ দিতে এসে ডাঃ দেশাই এইসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। দেশজুড়ে কিডনি চিকিৎসায় তাঁর সুনাম রয়েছে।
কিডনি সুস্থ রাখতে কয়েকটি সাধারণ কিন্তু জরুরি পরামর্শও দেন তিনি। প্রতিদিন অন্তত ২ লিটার জল পান করা প্রয়োজন। অকারণে বা ঘনঘন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা থেকে বিরত থাকার কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, কারণ এসব ওষুধ কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ কিডনি সমস্যার ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস একটি বড় কারণ হিসেবে ধরা পড়ছে। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাড়তে থাকা কিডনি স্টোনের সমস্যা, পরিবেশ দূষণ থেকে শুরু করে খাবার ও জলের মাধ্যমে শরীরে ঢুকে পড়া
ক্ষতিকর উপাদান—এসব কীভাবে কিডনির ক্ষতি করছে এবং কীভাবে সচেতন থাকলে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে ২৫ জানুয়ারি খবরের ঘন্টা-র সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন ডাঃ মাধব দেশাই।
এই বিষয়ে আরও বিশদ জানতে নজর রাখুন Khabarer Ghanta

