নিজস্ব প্রতিবেদনঃ ডুয়ার্সের নাগরাকাটার গ্রাসমোড় চা বাগান এলাকায় চারটে হতদরিদ্র চা শ্রমিক পরিবার এই শীতে মাটির মধ্যে ঘুমোচ্ছিল।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত এ এন এম সোনালী সামন্ত এবং তাঁর সহকর্মীরা বিষয়টি জানতে পেরে গাঠিয়া চা বাগানের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মঞ্জু তামাং প্রসাদের নজরে আনলে বুধবার মানবিক ভূমিকা গ্রহণ করেন মঞ্জুদেবী।এদিন তিনি ওই চার চা শ্রমিক পরিবারের হাতে চারটে চৌকি উপহার হিসাবে তুলে দেন। নতুন বছরের প্রাক্কালে এ এক বিশেষ মানবিক উপহার।

রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে জাতীয় ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল পুরস্কার পেলেও থমকে নেই বানারহাটনিবাসী সোনালি সামন্ত। এ এন এম হিসাবে কাজে বেরিয়ে কোথাও কোনও অসহায় দুঃস্থ মানুষ দেখলেই তাদের পাশে মানবিক মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করছেন সোনালিদেবী। এ এক নতুন দৃষ্টান্ত। করোনা ২০২০ বছরে চা বাগানের বহ অসহায় দুঃস্থ মানুষদের উপহার হিসাবে ত্রান পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।

