নিজস্ব প্রতিবেদন:
বেসরকারি নামী স্কুলগুলিকে পিছনে ফেলে নজির গড়লো উত্তরবঙ্গের একটি সরকারি বিদ্যালয়। “দ্য টেলিগ্রাফ এক্সিলেন্স স্কুল অ্যাওয়ার্ড”-এ সামাজিক অবদানের জন্য বিশেষ সম্মান পেল শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরের মুরলীগঞ্জ হাই স্কুল।

এর আগে ইকো-ফ্রেন্ডলি উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত হয়েছিল এই বিদ্যালয়। এবার সামাজিক কর্মকাণ্ডে অনন্য ভূমিকার জন্যই মিলেছে নতুন স্বীকৃতি। পড়াশোনার পাশাপাশি এই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত অংশ নেয় সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগে—বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে সহযোগিতা করা, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে টেইলারিং শেখা, রাস্তা মেরামতের কাজে হাত লাগানো, বৃক্ষরোপণ—এসবই সেখানকার কিছু ছাত্রছাত্রীর নিত্যদিনের চর্চা।যা এক সামাজিক কাজের দৃষ্টান্ত।
একটি সরকারি স্কুল ছাত্রছাত্রীদের এইভাবে সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করছে, যা নিঃসন্দেহে এক অনন্য উদাহরণ। শুধু তাই নয়, স্কুলের প্রতিটি স্তরের কর্মীরাও এই সাফল্যের অংশীদার। চতুর্থ শ্রেণির কর্মী প্রেমলাল সিংহ, যিনি ২১ বছরের চাকরি জীবনে একদিনও ছুটি নেননি—না ক্যাজুয়াল, না মেডিক্যাল। স্কুলই তাঁর প্রাণ, তাই পেয়েছেন “শাইনিং অ্যাওয়ার্ড”।
তাঁরই মতো স্কুলের গেটকিপার জগন্নাথ সিং, বয়স ৭৪ বছর হয়েও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন পালন করেন দায়িত্ব। প্রতিটি অতিথিকে সম্মানের সঙ্গে স্যালুট জানিয়ে স্বাগত জানান তিনি। তাঁর কর্মনিষ্ঠার জন্যও মিলেছে বিশেষ সম্মান।
বিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্রী মৌসুমি পাল সহ জাতীয় স্তরে কুডো প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত ছাত্রছাত্রীদেরও এই অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম, যিনি নিজেও পেয়েছেন “শিক্ষা রত্ন” সম্মান, জানালেন—
“শুধু পাঠ্যশিক্ষা নয়, খেলা, সংস্কৃতি, স্বনির্ভরতা ও সামাজিক মূল্যবোধ—সব ক্ষেত্রেই মুরলীগঞ্জ হাই স্কুলকে এগিয়ে নিতে আমরা নিরলস পরিশ্রম করছি।”
ফলত, আজ পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, বহু ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অভিভাবকরাও এখন সন্তানদের ভর্তি করতে চাইছেন মুরলীগঞ্জ হাই স্কুলে। সরকারি বিদ্যালয়ের এমন উত্থান শিক্ষাক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে
নিজস্ব প্রতিবেদন:
বেসরকারি নামী স্কুলগুলিকে পিছনে ফেলে নজির গড়লো উত্তরবঙ্গের একটি সরকারি বিদ্যালয়। “দ্য টেলিগ্রাফ এক্সিলেন্স স্কুল অ্যাওয়ার্ড”-এ সামাজিক অবদানের জন্য বিশেষ সম্মান পেল শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরের মুরলীগঞ্জ হাই স্কুল।
এর আগে ইকো-ফ্রেন্ডলি উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত হয়েছিল এই বিদ্যালয়। এবার সামাজিক কর্মকাণ্ডে অনন্য ভূমিকার জন্যই মিলেছে নতুন স্বীকৃতি। পড়াশোনার পাশাপাশি এই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত অংশ নেয় সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগে—বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে সহযোগিতা করা, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে টেইলারিং শেখা, রাস্তা মেরামতের কাজে হাত লাগানো, বৃক্ষরোপণ—এসবই সেখানকার কিছু ছাত্রছাত্রীর নিত্যদিনের চর্চা।যা এক সামাজিক কাজের দৃষ্টান্ত।
একটি সরকারি স্কুল ছাত্রছাত্রীদের এইভাবে সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করছে, যা নিঃসন্দেহে এক অনন্য উদাহরণ। শুধু তাই নয়, স্কুলের প্রতিটি স্তরের কর্মীরাও এই সাফল্যের অংশীদার। চতুর্থ শ্রেণির কর্মী প্রেমলাল সিংহ, যিনি ২১ বছরের চাকরি জীবনে একদিনও ছুটি নেননি—না ক্যাজুয়াল, না মেডিক্যাল। স্কুলই তাঁর প্রাণ, তাই পেয়েছেন “শাইনিং অ্যাওয়ার্ড”।
তাঁরই মতো স্কুলের গেটকিপার জগন্নাথ সিং, বয়স ৭৪ বছর হয়েও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন পালন করেন দায়িত্ব। প্রতিটি অতিথিকে সম্মানের সঙ্গে স্যালুট জানিয়ে স্বাগত জানান তিনি। তাঁর কর্মনিষ্ঠার জন্যও মিলেছে বিশেষ সম্মান।
বিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্রী মৌসুমি পাল সহ জাতীয় স্তরে কুডো প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত ছাত্রছাত্রীদেরও এই অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম, যিনি নিজেও পেয়েছেন “শিক্ষা রত্ন” সম্মান, জানালেন—
“শুধু পাঠ্যশিক্ষা নয়, খেলা, সংস্কৃতি, স্বনির্ভরতা ও সামাজিক মূল্যবোধ—সব ক্ষেত্রেই মুরলীগঞ্জ হাই স্কুলকে এগিয়ে নিতে আমরা নিরলস পরিশ্রম করছি।”
ফলত, আজ পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, বহু ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অভিভাবকরাও এখন সন্তানদের ভর্তি করতে চাইছেন মুরলীগঞ্জ হাই স্কুলে। সরকারি বিদ্যালয়ের এমন উত্থান শিক্ষাক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে।

