নিজস্ব প্রতিবেদন ১৭ই নভেম্বর:
শিলিগুড়ির এনজেপি এলাকার লেবার মিস্ত্রি বিক্রম দত্ত বর্তমানে লাংস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কঠিন লড়াই চালাচ্ছেন। হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান— তাঁর ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়েছে।

বিক্রম দত্ত তাঁর স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং মা– এই পাঁচজনের পরিবার নিয়ে সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তবে আকস্মিক এই রোগ তাঁদের সংসারে বিপুল আর্থিক সঙ্কট তৈরি করেছে। চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবার প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়ে। বিক্রমের মা মায়া দত্ত জানিয়েছেন, ধারদেনা করে কোনোভাবে সংসার চলছে, এমনকি গত তিন মাসে বাড়ির ভাড়াও দেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিক্রমের স্ত্রী সৌমিত্রা দেবী আক্ষেপ করে বলেন, টাকার অভাবে বড় মেয়ে দীপিকার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। সংসারের দৈনন্দিন খরচই যখন চালানো কঠিন, তখন চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই কঠিন সময়ে শিলিগুড়ির সমাজকর্মী নীল গোস্বামী ও সৌম্যদীপ রায় পুলিশ কর্মী বাপন দাসকে সঙ্গে নিয়ে বিক্রমের বাড়িতে পৌঁছান। বাপন দাস আশ্বস্ত করেছেন— প্রয়োজন হলে তাঁকে কলকাতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
বর্তমানে বিক্রম দত্তের পরিবার সমাজের সকলের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। তাঁদের আশা, মানুষের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা পেলে বিক্রমের চিকিৎসা আবার নতুনভাবে জীবনযুদ্ধ লড়ার শক্তি দেবে।

