শাস্ত্রীয় সুরে নতুন বছরের আবাহন: ডিভাইন লাইফ ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী সংগীত সন্ধ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সম্পর্কে পণ্ডিত রবিশঙ্কর বলেছিলেন—” ক্লাসিকাল মিউজিক ইজ নট মিয়ারলি এন্টারটেইনমেন্ট, ইট ইজ এ ডিসিপ্লিন দ্যাট পিওরিফাইজ দ্য মাইন্ড এন্ড এলিভেটস দ্য সোল।”আবার ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খাঁর কথায়— “শাস্ত্রীয় সঙ্গীত মানুষের ভিতরের অশান্তি দূর করে মনকে স্থিত ও ইতিবাচক করে তোলে।”

এই মননশীল ভাবনাকে সামনে রেখেই নতুন ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে এক অনন্য সাংস্কৃতিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল শিলিগুড়ি।নতুন বছর ২০২৬-কে স্বাগত জানাতে ডিভাইন লাইফ ফাউন্ডেশন, মিলনপল্লী, শিলিগুড়ি এই প্রথমবারের মতো আয়োজন করল একটি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বৈঠকী আসর।

১ জানুয়ারি আয়োজিত এই বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় অংশগ্রহণ করেন উত্তরবঙ্গের প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী বুলবুল বোস। তাঁর কণ্ঠে শাস্ত্রীয় সংগীত ও ভজন শ্রোতাদের মুগ্ধ করে তোলে। তবলায় সংগত করেন অপূর্ব ব্যানার্জী এবং হারমোনিয়ামে সহযোগিতা করেন নন্দিতা চক্রবর্তী।

এরপর মঞ্চে উঠে আসেন নবীন প্রজন্মের প্রতিভাবান সেতার শিল্পী দেবার্পণ কর্মকার। তাঁর সেতারের মূর্ছনায় সুরের আবেশে আবদ্ধ হয়ে পড়ে গোটা প্রেক্ষাগৃহ। পাশাপাশি সংস্থার সদস্যরাও ভজন সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে এক ভক্তিময় আবহ সৃষ্টি করেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনা করেন সংস্থার সদস্য তাপস কুমার দত্ত। অনুষ্ঠান শেষে বিশিষ্ট অরবিন্দ অনুরাগী সঞ্জয় গোলেচা উপস্থিত সকল শিল্পী, অতিথি ও দর্শকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এই সংগীত সন্ধ্যায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজনদের পাশাপাশি ডিভাইন লাইফ ফাউন্ডেশনের সদস্য ও সদস্যারাও উপস্থিত ছিলেন। নতুন বছরের সূচনায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে সমাজে সুস্থ, শান্ত ও ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তোলার যে প্রয়াস— তা নিঃসন্দেহে এক অনুকরণীয় উদ্যোগ বলে মনে করছেন অনেকে