নিজস্ব প্রতিবেদন :
থ্যালাসেমিয়া আজও সারা বিশ্বের কাছে এক কঠিন স্বাস্থ্যচ্যালেঞ্জ। এই জিনগত রক্তরোগে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের উপর নির্ভর করতে হয়, আর সেই দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়া তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনকে কঠিন করে তোলে। আয়ু নিয়েও অনিশ্চয়তা থেকে যায় বহু ক্ষেত্রে।

কবে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া–মুক্ত হবে এবং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এই রোগ সম্পর্কে কী বলছে—সেসব নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বেঙ্গালুরুর প্রখ্যাত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসক ও পেডিয়াট্রিক হেমাটো–অঙ্কোলজির সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ স্ট্যালিন রামপ্রকাশ, খবরের ঘন্টা-র সঙ্গে বিশেষ আলাপচারিতায়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত খুলেছে জিন থেরাপি। এই পদ্ধতিতে রোগের মূল জিনগত ত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা করা হয়, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে এই চিকিৎসা এখনো অত্যন্ত ব্যয়বহুল—খরচ প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকার মধ্যে। ফলে সাধারণ পরিবারের পক্ষে এই চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
এই বাস্তব পরিস্থিতিতে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের জন্য কী করণীয়, সেই বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন ডাঃ রামপ্রকাশ। নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা, সময়মতো রক্ত সঞ্চালন, আয়রন ওভারলোড নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসা এবং সঠিক পরামর্শ মেনে জীবনযাপন—এসবের উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সচেতনতা, স্ক্রিনিং ও জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞ।
থ্যালাসেমিয়ার আধুনিক চিকিৎসা, জিন থেরাপির সম্ভাবনা এবং রোগী–পরিবারের বাস্তব করণীয় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা দেখতে নজর রাখুন Khabarer Ghanta। শিলিগুড়ি সেবক রোডের তিন মাইলে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আল্ট্রা লাইফ ইন এমারজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড এর এক মেগা স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরে উপস্থিত হয়ে ডাক্তার স্ট্যালিন রামপ্রকাশ ২৫ জানুয়ারি ওইসব কথা জানান

