নারী দিবসে মানবিকতার বার্তা, নকশালবাড়িতে স্বনির্ভরতার উদ্যোগ ও কাবেরী চন্দকে ‘অনন্যা নারী’ সম্মান

নিজস্ব প্রতিবেদন :
আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে সমাজসেবামূলক একাধিক মানবিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল শিলিগুড়ি ও নকশালবাড়ি। বিভিন্ন শ্রেণির প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদের অসহায় ও দু:স্থ মায়েদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে নকশালবাড়িতে একটি সেলাই ও কাটিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পূর্ণিমা বসু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সংবর্ধনার পর আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন ‘আলোর ঠিকানা’ এনজিও-র সম্পাদক তথা দৃষ্টিহীন শিক্ষক রাজ কুমার নস্কর।

একই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র মহিলা শবদাহ টিম পরিচালনাকারী সংস্থা মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার কাবেরী চন্দকে শিলিগুড়ির “অনন্যা নারী” হিসেবে সংবর্ধনা জানায় পূর্ণিমা বসু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। সমাজের প্রতি তাঁর ব্যতিক্রমী অবদানকে সম্মান জানিয়ে তাঁকে আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

এদিকে নিজের ৪৫তম জন্মদিনে এক অনন্য মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন কাবেরী চন্দ। ৫ মার্চ ২০২৬ ভক্তিনগরের অগ্রণী সংঘ ময়দান রোডে প্রয়াতা অনিতা দাস (লক্ষ্মীমাতাজী)-এর দান করা জমিতে একটি আশ্রম গৃহ নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পূর্ণিমা বসু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা

প্রবীণ সমাজকর্মী নীতিশ বসু শাস্ত্রীয় মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে ভিত্তিস্থলে ইট স্থাপন করে এই সেবা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।এদিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংস্থার ডাবগ্রাম কার্যালয়ে শিলিগুড়ির লায়ন্স নেত্রালয়ের সহযোগিতায় একটি বিনামূল্যের চক্ষু পরীক্ষা শিবিরও আয়োজন করা হয়।

কাবেরী চন্দ জানান, আশ্রম গৃহের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে সেখানে অসহায় ও আশ্রয়হীন মহিলাদের থাকার ব্যবস্থা করে তাদের সেবা ও সহায়তা করা হবে। সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।