নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে শিলিগুড়িতে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ । এখনো পর্যন্ত শহরে পাঁচ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী এসে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার জানান যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে প্রতিটি ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আগের বিধানসভা নির্বাচনে শিলিগুড়িতে মোট ৫৩ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন ছিল।
এবারের নির্বাচনেও সেই সংখ্যার কাছাকাছি বাহিনী আসার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ৩১ তারিখের আগেই অতিরিক্ত ফোর্স শহরে পৌঁছে যাবে।শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নাকা চেকিং চালানো হচ্ছে। বর্তমানে আটটি জায়গায় নাকা চেকিং চলছে, পাশাপাশি ১০টি ফ্লাইং স্কোয়াড শহরের বিভিন্ন প্রান্তে টহল দিচ্ছে।
এছাড়া ১২টি বিশেষ চেকিং কাউন্টার খোলা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনো পর্যন্ত শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার কোনো থানায় রাজনৈতিক সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা নিয়মিত বিভিন্ন থানায় গিয়ে এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রতিটি থানার ওসি ও আইসি-রা নিজ নিজ এলাকায় সতর্ক নজর রাখছেন।
নির্বাচন কমিশন যে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দিতে নির্দেশ দিয়েছে, সেগুলির উপর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কোনো ধরনের অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে কেউ কাউকে ভয় দেখাতে বা প্রলোভন দিতে না পারে। কোনো বুথে জটলা বা অনিয়ম না হয়, সেদিকেও কড়া নজর থাকবে পুলিশের।
পাশাপাশি, ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে বুথে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।পুলিশ কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা স্পষ্টভাবে জানান, শিলিগুড়িতে একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

