গণতন্ত্রের উৎসব: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২ আসনে হাইভোল্টেজ ভোটযুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেজে গিয়েছে যুদ্ধের দামামা। আর মাত্র কয়েকঘন্টা । *২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ বৃহস্পতিবার, রাজ্যে শুরু হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল পর্যন্ত বিস্তৃত মোট ১৬টি জেলার ১৫২টি কেন্দ্রেওই দিন ভোট নেওয়া হবে।
⭕ *প্রথম দফায় যে জেলাগুলিতে ভোট*

বৃহস্পতিবার ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে রাজ্যের একঝাঁক হেভিওয়েট প্রার্থীর। যে জেলাগুলিতে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে সেগুলি হলো:
উত্তরবঙ্গ:দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা।
এছাড়াও মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর।
⭕ *নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি*

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রতিটি বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রহরা। ইতিমধ্যেই ভোট কর্মীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথম দফার ভোট উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে জারি করা হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা। ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই প্রচারের শব্দবিধি ও অন্যান্য বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে।
⭕নির্বাচনী বিধির পাঠ

নির্বাচনী আচরণবিধি (MCC) বজায় রাখতে কমিশন কড়া অবস্থান নিয়েছে। কোনো প্রকার প্রলোভন বা ভীতি প্রদর্শন ছাড়াই যাতে সাধারণ ভোটাররা নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বা পাহাড়ের শিলিগুড়ি থেকে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের মেদিনীপুর বা নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর দিকে নজর থাকবে গোটা রাজ্যের।

⭕ *ভোট সংক্রান্ত জরুরি তথ্য:*
* **ভোটের তারিখ:** ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬।
*সময়:* সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা, নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
*⭕ফলাফল:*আগামী ৪ঠা মে, ২০২৬।

*⭕পরিচয়পত্র:* ভোটার কার্ড বা EPIC না থাকলেও আধার কার্ড, প্যান কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো কমিশন অনুমোদিত ১২টি বিকল্প নথির যেকোনো একটি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে।

গণতন্ত্রের এই উৎসবে নির্ভয়ে অংশগ্রহণ করুন। আপনার একটি ভোট গড়ে দিতে পারে আগামী দিনের সরকার।
*⭕বিশেষ দ্রষ্টব্য:* নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচার না করে সকল ভোটারকে ভোটাধিকারে উৎসাহিত করাই এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য। ভোট দেওয়ার আগে নিজের বুথ ও প্রার্থীর নাম যাচাই করে নিন।