চিকিৎসকরা মানবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বরের কাজ করেন: স্বামী অখিলাত্মাপ্রিয় দাস

নিজস্ব প্রতিবেদক : শরীর অসুস্থ থাকলে কি মন দিয়ে ঈশ্বরের সাধনা করা সম্ভব? চিকিৎসক ও আধ্যাত্মিকতার সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন শিলিগুড়ি ইসকনের সভাপতি স্বামী অখিলাত্মাপ্রিয় দাস।আসন্ন চিকিৎসক দিবসকে সামনে রেখে তিনি তুলে ধরলেন ডাক্তারদের প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও মানবকল্যাণে তাঁদের অপরিসীম অবদানের কথা।

পয়লা জুলাই জাতীয় চিকিৎসক দিবসকে সামনে রেখে চিকিৎসকদের ভূমিকা ও গুরুত্ব সম্পর্কে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন শিলিগুড়ি ইসকনের সভাপতি স্বামী অখিলাত্মাপ্রিয় দাস। তাঁর মতে, যাঁরা দিনরাত ঈশ্বরের সাধনায় নিমগ্ন থাকেন, তাঁদের মতোই মানবসেবার মহান দায়িত্ব পালন করেন চিকিৎসকরাও।

সেই কারণেই বহু ক্ষেত্রেই চিকিৎসকদের ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করা হয়।তিনি বলেন, মানুষের শরীর যখন নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, তখন চিকিৎসকদের সঠিক চিকিৎসা ও সেবার মাধ্যমেই রোগমুক্তির পথ তৈরি হয়। আর শরীর সুস্থ না থাকলে একজন মানুষের পক্ষে একাগ্রচিত্তে আধ্যাত্মিক সাধনা কিংবা ঈশ্বরচিন্তায় নিজেকে নিবিষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ে।

স্বামী অখিলাত্মাপ্রিয় দাসের বক্তব্য, মানুষের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই তিনটি ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারে চিকিৎসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অনস্বীকার্য।

তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক এবং রোগীর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠা প্রয়োজন। এই সম্পর্ক যত দৃঢ় হবে, চিকিৎসার ফলও তত বেশি ইতিবাচক হবে। আসন্ন চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে সমাজের সকলের উচিত চিকিৎসকদের অবদানকে যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান জানানো বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।