নিজস্ব প্রতিবেদনঃ স্থানের নাম দিল্লী ভিটা, চাঁদের খাল—বৈকুন্ঠপুর। শিলিগুড়ি শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার ভিতরে বৈকুন্ঠপুর ফরেস্টে মঙ্গলবার নিষ্ঠার সঙ্গে বন দুর্গার পুজো অনুষ্ঠিত হল। কথিত আছে, দেবী চৌধুরানী ও ভবানী পাঠকের এক গোপন আস্তানা ছিল ওই স্থান। অন্য বছর সেখানে রাতেই পুজোর আয়োজন হয়। এবার করোনার জন্য রাতের অনুষ্ঠান কর্মসূচি বাতিল করে দিনেই সব কর্মসূচি গ্রহন করা হয়।

এদিন সকাল থেকে শিলিগুড়ি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বহু ভক্ত সেই মন্দিরে ভিড় করেন। নতুন বছর ২০২১ সালে পৃথিবী যাতে করোনা মুক্ত হয় সেজন্য এদিন সকলে মায়ের কাছে প্রার্থনা করেন। পুজোকে কেন্দ্র করে মন্দির এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও করা হয়।বন দপ্তরের অফিসার কর্মীরাও এদিন সকাল থেকে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়িয়ে দেন। বনের মধ্যেই বসে মেলা। বহু ভক্ত এদিন দেবী বন দুর্গার টানে সেখানে পৌঁছন। অনেকের মানত ছিলো। পুজোর পর প্রসাদ বিতরনের ব্যবস্থা ছিল।

