রথযাত্রার অপেক্ষায় শিলিগুড়ি, প্রস্তুতি শুরু ইসকনে

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ১৬ জুলাই মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হবে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা।শিলিগুড়ি ইসকনে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রথযাত্রার প্রস্তুতি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে পর্যটন মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়ককে।
ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ক্রমশ বাড়ছে, জোরকদমে চলছে আয়োজন।

হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব রথযাত্রাকে সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে শিলিগুড়ি ইসকনে। আগামী ১৬ জুলাই জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রার মহারথযাত্রা উপলক্ষে ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উৎসাহের আবহ তৈরি হয়েছে।

শিলিগুড়ি ইসকনের সভাপতি স্বামী অখিলাত্মাপ্রিয় দাস খবরের ঘন্টাকে জানান, রথযাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ভক্ত ও ভগবানের মিলনের এক মহামুহূর্ত। তিনি বলেন, রথযাত্রার মাধ্যমে ভগবান জগন্নাথ সকলের কাছে পৌঁছে যান এবং সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেন।

তিনি জানান, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে অনুষ্ঠিত এই উৎসবের বিশেষ আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রয়েছে। রথ মানবদেহের প্রতীক এবং ভগবান আত্মার পথপ্রদর্শক—এই ভাবনাই রথযাত্রার মূল দর্শন। ভক্তিভরে রথের দড়ি টানাকে অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলেও মনে করা হয়।

ইসকনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের রথযাত্রার শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে পর্যটন মন্ত্রী ডঃ শঙ্কর ঘোষ, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ত এবং ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তাঁদের উপস্থিতিতে উৎসবের সূচনা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

স্বামী অখিলাত্মাপ্রিয় দাস বলেন, বর্তমান সময়ে রথযাত্রা মানুষের মধ্যে ঐক্য, শান্তি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বহন করে। তাই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই উৎসব সামাজিক সম্প্রীতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

রথযাত্রাকে ঘিরে শিলিগুড়ি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইসকনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠুভাবে উৎসব আয়োজনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।