নিজস্ব প্রতিবেদক : শিলিগুড়ি জংশন এলাকার হিমাচল কলোনীর শ্রমিক ভবনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে পালিত হল ১২৮তম নজরুল জয়ন্তী। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ধূমকেতু’-র উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে। উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার থেকে আগত ধূমকেতুর অধিকর্তা মানস চক্রবর্তী এবং চেয়ারপারসেন সৌমা দাসগুপ্ত। অনুষ্ঠানের আয়োজন ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শিলিগুড়ি শাখার আহ্বায়ক অর্চনা মিত্র।
এদিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আসাম থেকে উপস্থিত ছিলেন বহুভাষিক কবি রাজু মনি সইকিয়া। এছাড়াও অনুষ্ঠানে যোগ দেন লেখক নীললতন কাঞ্জিলাল, সজল গুহ, সর্বাশিষ পাল এবং ধূমকেতুর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন চৈতালি বাগচি। সাংস্কৃতিক পর্বকে সমৃদ্ধ করেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী বুলবুল বোস, ডঃ সুতপা দত্তসহ আরও অনেক শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমী।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোমা চ্যাটার্জি ও মানস চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে কবি অলোক চক্রবর্তীও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদান, মানবতাবাদী চেতনা এবং সাম্যবাদের বার্তা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত আজও সমাজকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
অনুষ্ঠানের শেষে ধূমকেতু শিলিগুড়ি শাখার আহ্বায়ক অর্চনা মিত্র ধূমকেতুর সদস্য, অতিথি, শিল্পী ও উপস্থিত সকল শ্রোতাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তাঁর ধন্যবাদজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য এই নজরুল জয়ন্তী উদযাপনের সমাপ্তি ঘটে।

