সুরে-শব্দে মুগ্ধতা ছড়ালেন অদিতি চক্রবর্তী

নিজস্ব প্রতিবেদন : শিলিগুড়ির গর্ব, প্রতিভাবান কবি-সুরকার-গীতিকার ও সংগীতশিল্পী অদিতি চক্রবর্তী আবারও মুগ্ধ করলেন সঙ্গীতপ্রেমীদের।উত্তরাখণ্ডের মনোরম আলমোড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সঙ্গী করে তিনি উপহার দিলেন হৃদয়ছোঁয়া গান “Yadome Tum Base Ho”– “ইয়াদোঁ মে তুম বসে হো”বাংলা ও হিন্দি—দুই ভাষাতেই নিজের সৃষ্টি ও সুরে তিনি তুলে ধরলেন শিল্পীসত্তার এক অনন্য প্রকাশ।

বর্তমানে উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ায় কর্মসূত্রে থাকা ছেলের কাছে রয়েছেন শিলিগুড়ির বিশিষ্ট কবি, সুরকার, গীতিকার ও সংগীতশিল্পী অদিতি চক্রবর্তী। সেখানকার অপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশকে অনুপ্রেরণা করে তিনি শ্রোতাদের জন্য নিয়ে এসেছেন নতুন সঙ্গীত নিবেদন “Yadome Tum Base Ho” “ইয়াদোঁ মে তুম বসে হো”।

গানটির সঙ্গে আলমোড়ার নয়নাভিরাম দৃশ্য এক অনন্য আবহ তৈরি করেছে, যা দর্শক-শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়।অদিতি চক্রবর্তী বাংলা ও হিন্দি—উভয় ভাষাতেই গান রচনা ও সুরারোপ করে নিজের সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তাঁর প্রতিটি সৃষ্টি ভাষার সৌন্দর্য, শব্দচয়ন এবং কাব্যিক উপস্থাপনার জন্য আলাদা মর্যাদা লাভ করেছে।

প্রসঙ্গত, তাঁর স্বামী প্রয়াত প্রভাত চক্রবর্তী একজন পদস্থ পুলিশ আধিকারিক ছিলেন। শৈশব থেকেই সঙ্গীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত অদিতি চক্রবর্তী আজও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই সাধনা অব্যাহত রেখেছেন। তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য যেমন শ্রোতাদের আকৃষ্ট করে, তেমনি তাঁর স্বরচিত গানগুলোর ভাবনা ও নির্মাণশৈলীও বিশেষভাবে প্রশংসিত।

দেশপ্রেম, সমাজ, মানবিক মূল্যবোধসহ নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে তিনি একাধিক গান লিখেছেন ও নিজেই সুর দিয়েছেন। তাঁর কাছে সঙ্গীত শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের মনে ইতিবাচক চিন্তার সঞ্চার এবং সমাজে সুস্থ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে বা সাময়িক জনপ্রিয়তার জন্য নয়, বরং আত্মতৃপ্তি, শ্রোতাদের আনন্দ দেওয়া এবং সমাজকে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি সঙ্গীত সৃষ্টি করেন। এই নিষ্ঠা ও শিল্পভাবনাই অদিতি চক্রবর্তীকে সমসাময়িক শিল্পীদের ভিড়ে এক স্বতন্ত্র উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।