নিজস্ব প্রতিবেদক : পঁচিশে বৈশাখ মানেই বাঙালির হৃদয়ে এক অন্যরকম আবেগের দিন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতিথিকে ঘিরে এদিন যেন নতুন করে জেগে ওঠে বাংলা সংস্কৃতির চিরন্তন সৌন্দর্য। সেই আবহেই রেকর্ডিং করা হলো এক গীতিআলেখ্যের, যেখানে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অনুভূতির মেলবন্ধনে ফুটে উঠল রবীন্দ্রচেতনার অনন্য প্রকাশ।

সেই গীতিআলেখ্যর ভাষ্য পাঠে ছিলেন সুমিতা দত্ত এবং শমিত বিশ্বাস। তাঁদের আবেগঘন উপস্থাপনা সেই আলেখ্যর রেকর্ডিং পরিবেশকে আরও গভীর করে তোলে। গানে অংশ নেন দেবস্মিতা সরকার ও চন্দ্রজিৎ সরকার। রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরে-সুরে তারা ছড়িয়ে দেন এক অনাবিল মুগ্ধতা, যা মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।
সমগ্র গীতিআলেখ্য সুন্দর ও উপস্থাপনযোগ্য করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা নেন দেবস্মিতা সরকার। তাঁর আন্তরিক প্রয়াসে বিষয়টি হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও সুশৃঙ্খল।
তার মূল ভাবনায় উঠে আসে, রবীন্দ্রনাথ শুধুমাত্র একজন কবি নন, তিনি বাঙালির চেতনা, সংস্কৃতি ও অনুভবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর সাহিত্য, গান ও দর্শন আজও মানুষের জীবনে আলো জ্বালায়, দুঃখে সান্ত্বনা দেয় এবং পথ চলার প্রেরণা হয়ে ওঠে।
এই গীতিআলেখ্যের মাধ্যমে শমিত বিশ্বাস, চন্দ্রজিৎ সরকার সহ সংশ্লিষ্ট সকলেই কবিগুরুর প্রতি তাঁদের বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছেন। কিছু বিশেষ মুহূর্ত ও অনুভূতির টুকরো তুলে ধরা হয়েছে এই প্রয়াসে, যা রবীন্দ্রপ্রেমীদের হৃদয়ে নিঃসন্দেহে বিশেষ জায়গা করে নেবে।

