নিজস্ব প্রতিবেদন : যুদ্ধজনিত পরিস্থিতির প্রভাবে এলপিজি গ্যাসের অপ্রতুলতা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও বাঙালির চিরাচরিত পয়লা বৈশাখের আনন্দে কোনও খামতি রাখতে নারাজ শিলিগুড়ির মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা। ঐতিহ্য ও আবেগে ভর করে নববর্ষকে বরণ করতে শহরের দুই শতাধিক মিষ্টির দোকান ইতিমধ্যেই প্রস্তুত।

শিলিগুড়ি মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা বিজয় ধর জানিয়েছেন, অতীতে বাংলা নববর্ষের আগে এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন তাঁদের হতে হয়নি। বিশেষ করে এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি এবার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি মিষ্টি তৈরির কাঁচামালের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবুও সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে মিষ্টির দামে তেমন বৃদ্ধি ঘটাননি ব্যবসায়ীরা।
বাঙালির যেকোনও উৎসব, পূজা বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে মিষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। আর নববর্ষ মানেই মিষ্টিমুখ, এ যেন অবিচ্ছেদ্য এক অংশ। সেই ঐতিহ্য অটুট রাখতেই সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও এগিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা।
শহরের প্রধান নগর এলাকার মেঘনাদ সাহা সরণিতে অবস্থিত ‘আরতি সুইটস’-এ নববর্ষের আগের দিন থেকেই উপচে পড়েছে ভিড়। দোকানের পক্ষ থেকে বিজয়বাবু ও গৌরি ধর সকলকে বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তাঁরা জানান, রসগোল্লা সহ একাধিক জনপ্রিয় মিষ্টি প্রস্তুত রয়েছে। যদিও গ্যাসের সংকটের কারণে উৎপাদনের পরিমাণ কিছুটা কমানো হয়েছে, তবুও গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে তাঁদের প্রচেষ্টা অব্যাহত।
মিষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন ঝাল খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দোকানে দেখা যায়, কর্মীরা ব্যস্ত হাতে অর্ডার অনুযায়ী মিষ্টির প্যাকেট তৈরি করছেন। বিয়ে, অন্নপ্রাশন থেকে শুরু করে নানা অনুষ্ঠানে ‘আরতি সুইটস’-এর মিষ্টির যথেষ্ট সুনাম রয়েছে বলেও জানান ক্রেতারা।
যোগাযোগ: 8436642660 / 7301499599

