নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি জানাল নির্বাচন কমিশন। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটে ব্যবহৃত ফর্ম ১৭এ (ভোটার রেজিস্টার) সহ অন্যান্য নথিপত্রের স্ক্রুটিনি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানায়, ভোটগ্রহণ পরবর্তী স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং কোনও ধরনের অনিয়ম চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হয়। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট হওয়া ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২৪ এপ্রিল এই স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন রিটার্নিং অফিসার, সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ৬০০-রও বেশি প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিরা।
সব মিলিয়ে ১,৪৭৮ জন প্রার্থীকে আগেই এই প্রক্রিয়ার সময় ও স্থান সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল।কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৪৪,৩৭৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের পর কোনও ক্ষেত্রেই পুনর্ভোটের সুপারিশ করা হয়নি।
একইভাবে তামিলনাড়ুতেও ২৩৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে একই দিনে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। সেখানে ১,৮২৫ জন প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এই যাচাই হয় এবং মোট ৪,০২৩ জন প্রার্থীকে পূর্বেই জানানো হয়েছিল। তামিলনাড়ুর ক্ষেত্রেও ৭৫,০৬৪টি ভোটকেন্দ্রের কোনওটিতেই পুনর্ভোটের প্রয়োজন হয়নি।
নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে এবং যাচাই শেষে সমস্ত নথিপত্র পুনরায় সিলমোহর করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিনগুলি নিরাপত্তা বিধি মেনে ‘স্ট্রং রুম’-এ রাখা হয়েছে, যেখানে দ্বিস্তরীয় নিরাপত্তা, সিসিটিভি নজরদারি এবং নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত পরিদর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে।
এছাড়াও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের স্ট্রং রুমের উপর নজরদারি রাখতে ক্যাম্প স্থাপনের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে। সব মিলিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য করতে একাধিক কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন।

