শিব জ্ঞানে জীব সেবা— চিকিৎসক দিবসে মানবসেবার বার্তা ডাঃ সোমজিৎ চ্যাটার্জীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শিব জ্ঞানে জীব সেবা’— এই আদর্শই একজন চিকিৎসকের প্রকৃত পরিচয়।জাতীয় চিকিৎসক দিবসের প্রাক্কালে মানবিক চিকিৎসা পরিষেবার গুরুত্ব তুলে ধরে এমনই বার্তা দিলেন শিলিগুড়ির বিশিষ্ট দন্ত বিশেষজ্ঞ ডাঃ সোমজিৎ চ্যাটার্জী।

১ জুলাই জাতীয় চিকিৎসক দিবস। এই দিনেই জন্মগ্রহণ করেন এবং পরলোকগমন করেন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়। তাঁর অসামান্য চিকিৎসা পরিষেবা, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজ গঠনে অনন্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই প্রতি বছর ১ জুলাই সারা দেশে জাতীয় চিকিৎসক দিবস পালন করা হয়।

চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে শিলিগুড়ি তথা উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট দন্ত বিশেষজ্ঞ ডাঃ সোমজিৎ চ্যাটার্জী বলেন, “শিব জ্ঞানে জীব সেবা”-র আদর্শই একজন চিকিৎসকের জীবনের মূল মন্ত্র হওয়া উচিত। মানুষের সেবা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধই চিকিৎসা পেশাকে মহৎ করে তোলে। তিনি বলেন, একজন চিকিৎসক শুধু রোগের চিকিৎসাই করেন না, তিনি মানুষের আশা-ভরসারও প্রতীক।

ডাঃ সোমজিৎ চ্যাটার্জী উত্তরবঙ্গের কিংবদন্তি চিকিৎসক প্রয়াত ‘কালু ডাক্তার’-এর পৌত্র। কালু ডাক্তারকে অনেকেই ‘উত্তরবঙ্গের বিধান রায়’ নামে চিনতেন। পাশাপাশি ডাঃ সোমজিৎ চ্যাটার্জী দীর্ঘদিন ধরে শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন সেবামূলক চিকিৎসা কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। তাঁর মতে, স্বামী বিবেকানন্দ ও রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত চিকিৎসকের ধর্ম।

ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জীবন ও কর্ম আজও চিকিৎসক সমাজের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর মানবিক মূল্যবোধ, কর্মনিষ্ঠা এবং চিকিৎসাকে জনসেবার মাধ্যম হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। জাতীয় চিকিৎসক দিবসে তাঁর আদর্শকে স্মরণ করে সমাজের প্রতিটি চিকিৎসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানানোই এই দিনের মূল তাৎপর্য।