রোগীর বিশ্বাস ফেরাতে বদলাতে হবে চিকিৎসার ধরণ ডাঃ শীর্ষেন্দু পাল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চিকিৎসকের চেম্বারে ঢোকার আগে একজন রোগীর সবচেয়ে বড় ভরসা কী?বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাসই আজ অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নের মুখে।আসন্ন চিকিৎসক দিবসের আগে চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ শীর্ষেন্দু পাল।

আসন্ন চিকিৎসক দিবসের প্রাক্কালে চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন শিলিগুড়ি তথা উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ শীর্ষেন্দু পাল।
তিনি বলেন, চিকিৎসকদের প্রতি রোগীদের আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে চিকিৎসকদেরও কিছু দায়িত্ব পালন করতে হবে।

অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এড়িয়ে চলা, রোগীকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, মন দিয়ে রোগীর কথা শোনা এবং সহানুভূতির সঙ্গে রোগীর সমস্যাকে বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি।
ডাঃ পালের মতে, চিকিৎসার লক্ষ্য হওয়া উচিত রোগীকে দ্রুত সুস্থ করে তোলা, অযথা চিকিৎসা দীর্ঘায়িত করা নয়।

একই সঙ্গে সুস্থ জীবনযাপনের জন্য তিনি ধূমপান, মদ্যপান ও তামাকজাত নেশা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। সময়মতো খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম, ঘরের খাবার গ্রহণ এবং ছোটবেলা থেকেই ফলমূল, শাকসবজি ও শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলার উপরও তিনি জোর দেন।

এখন বিস্তারিত সংবাদ
আসন্ন চিকিৎসক দিবসকে সামনে রেখে চিকিৎসক ও রোগীর পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রকাশ করলেন শিলিগুড়ি তথা উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ শীর্ষেন্দু পাল।

তিনি মনে করেন, চিকিৎসকদের প্রতি রোগীদের হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করা সময়ের দাবি। আর সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চিকিৎসকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ডাঃ পাল বলেন, অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এড়িয়ে চলা উচিত। পাশাপাশি একজন চিকিৎসককে রোগীর জন্য পর্যাপ্ত সময় বরাদ্দ করতে হবে এবং মনোযোগ সহকারে রোগীর সমস্যার কথা শুনতে হবে। রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করাও একজন চিকিৎসকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা দীর্ঘায়িত না করে রোগী যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সেদিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।শুধু চিকিৎসা নয়, রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ জীবনযাপনের ক্ষেত্রেও একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

তাঁর মতে, মদ্যপান, ধূমপান ও তামাকজাত নেশা থেকে দূরে থাকলে বহু রোগের ঝুঁকি কমে যায়। পাশাপাশি সময়মতো খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম এবং বাইরের খাবারের পরিবর্তে ঘরের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলাকে জীবনের অংশ করে তুললে সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবনযাপন অনেকটাই সম্ভব।

⭕ এভাবে নিয়মিত সব ভালো ও ইতিবাচক সংবাদ পেতে Khabarer Ghanta Facebook Page-টি Follow করুন এবং YouTube Channel-টি Subscribe করুন।