নিজস্ব প্রতিবেদন : গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হতে ভোটার তালিকায় নাম থাকাই প্রধান শর্ত। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, ভোটদাতার নাম ভোটার তালিকায় থাকলেও সঠিক সময়ে তিনি নিজের ভোটার আইডি কার্ড বা এপিক খুঁজে পাচ্ছেন না অথবা তা সঙ্গে আনতে ভুলে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, পরিচয় প্রমাণের জন্য আরও ১২টি বিকল্প নথি ব্যবহার করে আপনি আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন। আপনার ভোট অত্যন্ত মূল্যবান।
তাই পরিচয়পত্রের অভাবে যাতে কোনো নাগরিক ভোটদান থেকে বিরত না থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা।ভোট দিতে সাথে রাখতে পারেন এই নথিগুলি:
১. আধার কার্ড
২. মনরেগা বা এমএনআরইজিএ জব কার্ড
৩. ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবিসহ পাসবই
৪. শ্রম মন্ত্রকের স্বাস্থ্য বিমা স্মার্ট কার্ড
৫. ড্রাইভিং লাইসেন্স
৬. প্যান (PAN) কার্ড
৭. এনপিআর-এর আওতায় আরজিআই (RGI) প্রদত্ত স্মার্ট কার্ড
৮. ভারতীয় পাসপোর্ট
৯. ছবিসহ পেনশনের নথি
১০. কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি কর্মচারী/পিএসইউ-এর সার্ভিস আইডি কার্ড
১১. সাংসদ, বিধায়ক বা বিধান পরিষদ সদস্যদের অফিশিয়াল পরিচয়পত্র
১২. ইউডিআইডি (UDID) কার্ড (প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য)
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মনে রাখবেন, আপনার কাছে এই নথিগুলির যেকোনো একটি থাকলেও, আপনার নাম সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটার তালিকায় (Voter List) থাকা বাধ্যতামূলক। তালিকায় নাম না থাকলে কোনো পরিচয়পত্র দিয়েই ভোট দেওয়া সম্ভব নয়।
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো ১০০ শতাংশ স্বচ্ছ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা। তাই বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে দেরি না করে নিজের পরিচয়পত্র নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যান এবং নাগরিক দায়িত্ব পালন করুন।
মনে রাখবেন: আপনার ভোট, আপনার অধিকার।

